দশে পা দিল বান্দরবান ক্যান্ট. পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ

রফিকুল আলম মামুন, কন্ট্রিবিউটিং করেসপন্ডেন্ট, মৈত্রী অনলাইন
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সময়- ১:৫৩ অপরাহ্ন

b.ban cant

বান্দরবান : নয় বছর শেষে দশ বছরে পা রাখল বান্দরবানের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ।দশ বছরে পদার্পণকে স্মরনীয় করে রাখতে প্রতিষ্ঠানটি  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বুধবার সন্ধ্যায় এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, এমপি। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জুবায়ের সালেহিন, জেলা প্রসাশক দিলীপ কুমার বণিক, বিসিপিএসসির অধ্যক্ষ লে.কর্ণেল দিলীপ রায়সহ বিভিন্ন সরকারি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ ও অভিবাবকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সারাদিন শিক্ষক শিক্ষার্থী আর অভিবাবকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস। প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গনকে সাজানো হয় বর্ণিল সব আলোকসজ্জায়। দিনের আলো ম্লান হয়ে গেলে শুরু হয় রঙ্গিন আলোর বিচ্ছুরণ। আলোকিত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাসের অনুষ্ঠানস্থল। ঘড়ির কাটা সন্ধ্যা ৭ টা পেরিয়েছে মাত্র। কেক কেটে ও ফানুস উড়িয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন প্রতিমন্ত্রী। জ্যেষ্ঠ শিক্ষক মোহাম্মদ এয়াকুবের প্রানবন্ত সঞ্চালনায় শুরু হয় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

cant student

প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সিংমং প্রু আর  শ্যামা দাস পরিবেশন করেন ‘সব সখিরে পার করিতে নেবো আনা আনা’। এর পরই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করেন মারমা গানে ঐতিহ্যবাহি নাচ। প্রতিষ্ঠানের সব শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা সম্মিলিত কণ্ঠে ‘পুরনো সেই দিনের কথা’ গানটি পরিবেশন করেন। অধ্যক্ষ পত্নী শম্পা রাণী সাহা পরিবেশন করেন ‘বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি’। অধ্যক্ষ পত্নীর গানের পর মঞ্চে আসেন ব্রিগেড কমান্ডারের সহধর্মিণী সামিয়া জামান। ‘আকাশের হাতে আছে একরাশ মেঘ’ গেয়ে দর্শকদের মন জয় করেন তিনি।

bir

গায়ক প্রতিমন্ত্রী এই অনুষ্ঠানে চুপ করে বসে থাকবেন এমনটা হতেই পারে না। দর্শক অনুরোধে এবার মঞ্চে উঠেন প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর। বদলে যাওয়া এই পৃথিবীতে মানুষগুলো যে আগের মতোই আছে তা মনে করিয়ে দিতে ‘পৃথিবী বদলে গেছে’ গানটি পরিবেশন করেন।

সাংস্কৃতিক পর্ব শেষ হলে শুরু হয় জিপিএ ৫ পাওয়া কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষায় মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীরাও এতে স্মারক অর্জন করে। পুরস্কার বিতরণের পর প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি। বক্তব্যে তিনি প্রতিষ্ঠানের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করেন। এছাড়াও তিনি শিক্ষার্থীদের মানুষের মতো মানুষ হতে সঠিক জ্ঞানার্জনের পরামর্শ দেন।

নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের পরিসমাপ্তি ঘটে।

মৈত্রী/ আরএএম/ এএ

Tags: ,

Banner