লামায় নির্বিচারে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান

মো. নুরুল করিম আরমান, লামা (বান্দরবান) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০১৯ সময়- ৯:৩৩ পুর্বাহ্ন

লামায় নির্বিচারে উত্তোলনকৃত পাথরের স্তুপ পরিদর্শনে কর্মকর্তারা।
লামায় নির্বিচারে উত্তোলনকৃত পাথরের স্তুপ পরিদর্শনে কর্মকর্তারা।

বান্দরবান : বিভিন্ন পত্রিকায় ‘লামায় নির্বিচারে পাথর উত্তোলনে মহোৎসব’ শীর্ষক শীরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর অবশেষে বান্দরবানের লামা উপজেলায় নির্বিচারে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর। বুধবার ও গত মঙ্গলবার -এ দুই দিন উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বনপুর, ইয়াংছা ও কাঁঠালছড়া ত্রিপুরা পাড়ায় এ অভিযান চালানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমির নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভুমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশরাত সিদ্দিকা, পরিবেশ অধিদপ্তরের বান্দরবান সহকারী পরিচালক এ.কে.এম সামিউল আলম কুরসী ও পরিদর্শক নাজনীন সুলতানা নীপা অংশ গ্রহণ করেন। এতে সহযোগিতা করেন, থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. আশরাফসহ সঙ্গীয় সদস্যরা। অভিযানে মজুদকৃত ৫ লক্ষাধিক ঘনফুট পাথর জব্দ দেখানো হয় বলে জানা গেছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক একেএম সামিউল আলম কুরসী বলেন, গত দুই দিনে সরজমিনে নির্বিচারে পাথর উত্তোলনের চিত্র, পরিবেশের ক্ষতিরমাত্রা ও মজুদকৃত পাথরের স্তুপ পরিদর্শন করেছি। স্থানীয়দের দেয়া তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে কমপক্ষে ১০ থেকে ১২ লক্ষ ঘনফুট পাথর পাচার করেছে ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে ইয়াংছা ও বনপুর অংশে আরো ৫ লক্ষাধিক ঘনফুট পাথর মজুদ রয়েছে। এ কাজে স্থানীয় ও বহিরাগত ২০ থেকে ২৫জন ব্যক্তি জড়িত। এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনে নিয়মিত মামলার প্রস্তুতি চলছে।

অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি বলেন, অবৈধভাবে মজুদকৃত পাথর যেন রাতের আধাঁরে পাচার হয়ে না যায়; সে ব্যাপারে আমরা সজাগ রয়েছি।

মৈত্রী/এফকেএ/এএ

Banner