মূল সংবাদে ফিরুন

বাংলা অনলাইন নিউজ পেপার

দৈনিক সচিত্র মৈত্রী প্রিন্ট সংস্করণ ·

শতভাগ স্বচ্ছতা মেনে কাজ হয়েছে, দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত : সিভিল সার্জন

প্রকাশ: হালনাগাদ:

বান্দরবান : বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. শাহীন হোসাইন চৌধুরী বলেন, শতভাগ স্বচ্ছতার সঙ্গে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। কাজ না পেয়ে সামাজিকভাবে হেয় করতে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে। যা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

সোমবার (৬ জুলাই) সিভিল সার্জন অফিসের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

“সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে মেডিসিন ক্রয়সংক্রান্ত বিল উত্তোলনের অভিযোগ সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য উপস্থাপন ও আনীত মিথ্যা অভিযোগের প্রেক্ষিতে” এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

টেন্ডার প্রক্রিয়া ও বিল সাবমিট বিষয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যার পাশাপাশি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।

শাহীন হোসাইন চৌধুরী বলেন, একটি চক্র আমাকে প্রভাবিত করে টেন্ডার হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু আমি তাতে রাজি হইনি। আগে ম্যানুয়ালি টেন্ডার হওয়ায় একটি নির্দিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ পেত। এবার ই-জিপি পদ্ধতি চালু হওয়ায় সেই সুযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়েই তারা আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।

পুরা ওষুধ বুঝে নেওয়ার আগে কেন বিল প্রস্তুত করা হলো এমন প্রশ্নের জবাবে সিভিল সার্জন বলেন, যেহেতু জুন মাস। সরকারিভাবে নির্ধারণ ছিল ২৫ তারিখের মধ্যে বিল সাবমিট করতে হবে। এখন বাজেট থাকা অবস্থায় যদি আমরা সেটা ইস্যু করিয়ে না রাখি, মাল বুঝে পাওয়ার পরও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বিল দেয়া সম্ভব হবে না। হাসপাতালের কার্যক্রম চলমান রাখার জন্যই, সেবা কার্যক্রম যাতে ব্যহত না হয় তাই আগে এটি করে রাখা হয়েছে।  ঠিকাদার যখন শতভাগ মাল বুঝিয়ে দেবে তখন যদি তাকে বিল বুঝিয়ে দিতে না পারি সেটা আমার জন্য অদক্ষতা হবে। আমাকেও জবাবদিহি করতে হবে।

সিভিল সার্জন অভিযোগ করে বলেন, যে চক্রটি কাজ পাওয়ার জন্য প্রেসার ক্রিয়েট করেছিল তারা কাজ না পেয়ে এমনভাবে মিথ্যা বানোয়াট নিউজ করে ভাইরাল করে দিয়েছে আমরা এক কোটি টাকার মালামাল নিয়েছি আর তিন কোটি টাকার মালামাল নিই নাই। এগুলো মিথ্যা।

ইতোমধ্যে ৯৫ শতাংশ মালামাল চলে আসছে বলে দাবি করেন সিভিল সার্জন।

সংবাদ সম্মেলনে বান্দরবান প্রেসক্লাবের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বাচ্চুসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এক কোটি টাকার ওষুধ নিয়ে চার কোটি টাকার বিল এমন একটা সংবাদ সম্প্রতি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। পরে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় স্থানীয় সরকার পরিষদ এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে অন্য সদস্যরা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। এক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভিন্ন জনের সঙ্গে কথা বলেন। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

মৈত্রী/ এইচ.এম।

Powered by Done 5 Technologies