বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
বান্দরবানে হাফেজঘোনা ও মেম্বার পাড়া পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করল পর্যবেক্ষণ কমিটিশুকরের চর্বি থেকে তেল তৈরি করতে গিয়ে আগুন, পুড়ল বসতঘরবান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন: কে পেলেন কোন দপ্তরগুজবে কান দেবেন না, যাচাই ছাড়া তথ্য ছড়াবেন না : সেক্টর কমান্ডার রুবায়াতবান্দরবানের রাজার মাঠে শারদীয় দুর্গাপূজা ও শারদ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজন বাধ্যতামূলকপাহাড়ের দুর্যোগ ও ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসচেতনতা তৈরির তাগিদ পার্বত্য মন্ত্রীরশিক্ষার্থীদের সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক মানুষ হতে হবে– পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী
খবর বাংলাদেশ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে দুদকের অভিযান

শেয়ার করুন:

চিকিৎসকের সাত মাস অনুপস্থিতির ঘটনা উদ্বঘাটন রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজে পদায়িত একজন ডাক্তারের প্রায় ০৭ মাস যাবৎ কর্মস্থলে অনুপস্থিতির ঘটনা উদ্ববঘটন করেছে দুদক।

অর্থো-সার্জারী বিভাগের একজন সহকারী অধ্যাপক দীর্ঘ ছয় মাসেরও অধিককাল কর্মস্থলে যোগদান করছেন না, দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে (হটলাইন-১০৬) এ বিষয় অভিযোগ আসলে আজ (০৪/০২/২০১৯) দুদক মহাপরিচালক মুহাম্মাদ মুনীর চৌধুরীর নির্দেশে পরিচালক শফিকুর রহমান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি টিম স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাখালীতে অভিযান চালায়। দুদক টিম দেখে, ডাক্তার মোঃ আব্দুল কাদের (কোড নং-৪২২৬৮) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মহাখালী-তে ওএসডি থাকা অবস্থায় নড়াইল সদর হাসপাতালে সংযুক্ত ছিলেন। স্বাস্থ্য ওপরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ গত ১৯/০৭/২০১৮ ইং তাঁকে রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজে বদলী করে। সে প্রেক্ষিতে সদর হাসপাতাল, নড়াইল কর্তৃপক্ষ তাকে ২৯/০৭/২০১৮ ইং অপরাহ্নে ছাড়পত্র প্রদানপূর্বক যথাসময়ে বদলীকৃত কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেন, কিন্তু তিনি অদ্যাবধি সেখানে যোগদান না করেই সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলন করে যাচ্ছেন। দুদক টিম জানতে পারে, বদলীর আদেশ বাতিল করার জন্য তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একটি আবেদন দিয়েছিলেন, কিন্তু সে আবেদন গৃহীত হয়েছে কী-নাসেটি নিশ্চিত না হয়েই তিনি ছয় মাসেরও বেশি সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। দুদক টিমের উপস্থিতিতে আজই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ নাসিমা সুলতানা তাৎক্ষণিকভাবে উক্ত চিকিৎসকের নিকট ব্যাখ্যা তলব করেন।

এ প্রসঙ্গে দুদক এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের প্রধান মহাপরিচালক (প্রশাসন) মুহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, “এ ধরনের নৈরাজ্য শুধু চাকুরির শৃঙ্খলা পরিপন্থীই নয়, অবধারিতভাবে এটা দুর্নীতি। কারণ সরকারি পদে বহাল থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা এবং জনগণকে সেবা না দিয়ে বেতন-ভাতা তোলা স¤পূর্ণ বেআইনী। এ ব্যাপারে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যসংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘরগুলো পূরণ করা আবশ্যক।

Powered by Done 5 Technologies