বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
পুরুষ পূর্বসূরিদের চেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীনিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীপাহাড়ে পানিসংকট মোকাবিলায় ‘ভূমির ওপরের পানি’ ব্যবহারের তাগিদহিরো বাংলাদেশ ১২ বছরের যাত্রা উদযাপন: হিরো-নিলয় প্ল্যান্টে নতুন মাইলফলকবান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘গো আপ ফাউন্ডেশন’বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিংবন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় বান্দরবানে সচেতনতামূলক কমিউনিটি ডায়লগদীর্ঘস্থায়ী ৭,৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি নিয়ে শাওমি উন্মোচন করল নতুন রেডমি ১৭
আইন-আদালত

শুনানিতে অংশ নেননি ১৬ বছর, ক্ষমা চেয়ে রেহাই আইনজীবীর

শেয়ার করুন:

বিচারিক আদালতের একটি মামলা হাইকোর্টে স্থগিতের পর দীর্ঘ ১৬ বছর মামলাটির আর কোনো শুনানিতে অংশ না নেয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মানিক লাল আচার্যকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করার জন্য মতামত দেন হাইকোর্ট। পরে ওই আইনজীবী নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করায় আদালত তাকে জরিমানা থেকে রেহাই দিয়েছেন।

একইসঙ্গে আসামি জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার বিরাজকান্তি ভৌমিকের বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে চলমান মামলার ওপর জারি করা স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেন আদালত। এর ফলে, তার বিরুদ্ধে মামলা চলতে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আদালতে বিরাজকান্তি ভৌমিকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মানিক লাল আচার্য। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হেলেনা বেগম চায়না।

১৬ বছর আগে মুন্সীগঞ্জ জেলার টংগীবাড়ী থানার অ্যাকো ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড কোল্ড স্টোরেজের পক্ষে জনতা ব্যাংকের বেতকা শাখা থেকে ২ হাজার ৭২০ টন আলুর বিপরীতে ৯৮ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা মঞ্জুর করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে কোল্ড স্টোরেজের পক্ষে ৪৪ লাখ ১৮ হাজার ৭৪৭ টাকা ঋণের জামানত হিসাবে রক্ষিত ১৫ হাজার ৪৭৯ বস্তা আলু আত্মসাৎ করা হয়। যা পরে তদন্ত করে তৎকালীন জেলা দূর্নীতি দমন অফিসার আর কে মজুমদার ৭ জনকে আসামি করে টংগীবাড়ী থানায় ১৯৯৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন। পরে মামলাটি মুন্সীগঞ্জের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে বিচারের জন্য উঠলে তা বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানানো হয়।

দীর্ঘ ১৬ বছর পর বুধবার মামলাটির শুনানি করতে আসায় আইনজীবী মানিক লাল আচার্যকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে বলে জানান হাইকোর্ট। কিন্তু এই মামলায় সিনিয়র অ্যাডভোকেট এ বি রায় চৌধুরী যুক্ত আছেন বলে আদালতকে অবহিত করা হলে আদালত বলেন, ‘আপনাকে (মানিক লাল আচার্য) ৫০ হাজার ও আপনার সিনিয়রকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। এরপর আইনজীবী মানিক লাল আচার্য আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে জরিমানা করা থেকে অব্যাহতি দেন হাইকোর্ট।’

পাশাপাশি বিচারিক আদালতে থাকা মামলাটির বাতিল বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করেন এবং স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেন বলেও জানান পরে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন।

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘরগুলো পূরণ করা আবশ্যক।

Powered by Done 5 Technologies