শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী থানচিতে চ্যাম্পিয়ন নারী ফুটবলারদের জমকালো সংবর্ধনা ২৭ অক্টোবরখাদ্য ব্যবসায় বিএফএসএ নিবন্ধন বাধ্যতামূলকবান্দরবানে হাফেজঘোনা ও মেম্বার পাড়া পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করল পর্যবেক্ষণ কমিটিশুকরের চর্বি থেকে তেল তৈরি করতে গিয়ে আগুন, পুড়ল বসতঘরবান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন: কে পেলেন কোন দপ্তরগুজবে কান দেবেন না, যাচাই ছাড়া তথ্য ছড়াবেন না : সেক্টর কমান্ডার রুবায়াতবান্দরবানের রাজার মাঠে শারদীয় দুর্গাপূজা ও শারদ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন
বাংলাদেশ

মাদকদ্রব্য রাখার দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

শেয়ার করুন:

স্টাফ রিপোর্টার,

লিগ্যাল ভয়েস ডেস্ক : ৯০ গ্রাম হেরোইন রাখার দায়ে মো. কামাল ওরফে ট্যাবলেট কামাল নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার ৬ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. শেখ গোলাম মাহবুব এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ড প্রাপ্ত আসামী চাঁদপুর জেলার হাইমচর থানার হাজিকান্দি গ্রামের দাদন মিয়া ওরফে মদন মিয়ার ছেলে।
রায়ে দণ্ডের পাশাপাশি অভিযুক্ত কামালকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং তা অনাদায়ে আরও তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার অপর দুই আসামি মো. সোহেল ও মো. শাহিন নামের দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া তাদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডিত কামাল আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৯ নভেম্বর ভাষেনটেক থানাধীন চার নম্বর বস্তি, সালেক মিয়ার পুকুরপাড়স্থ বটতলায় একটি পরিত্যাক্ত টিনের ঘরে আসামি ট্যাবলেট কামাল, সোহেল, শাহীন ও সাজ্জাতসহ আরও অজ্ঞাতনামের কয়েকজন মাদক বিক্রির জন্য অবস্থান করছে মর্মে পুলিশ গোপন সংবাদ পায়।

সংবাদের ভিক্তিতে আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষে পুলিশ অভিযান চালায়। এ সময় ৮/১০ জন যুবক পালিয়ে যায় এবং ট্যাবলেট কামাল পালানোর চেষ্টাকালে গ্রেফতার হয়। কামালের দেহতল্লাশী করলে তার প্যান্টের পকেট থেকে ৯১০ পুড়িয়া হেরাইন উদ্ধার হয়। যার ওজন ৯০ গ্রাম। এছাড়া ওই ঘরের দক্ষিণ পাশ থেকে ২৩টি অবিস্ফোরিত পেট্টোল বোমা এবং ২৭টি ককটেল বোমা উদ্ধার করা হয়।

আসামি ট্যাবলেট কামাল জব্দতালিকা প্রস্তুতের সময় তার সঙ্গে থাকা পালিয়ে যাওয়া অন্যান্য আসামিদের নাম প্রকাশ করে। হেরোইন উদ্ধারের ঘটনায় ২০১৬ সালের ২০ নভেম্বর ভাষানটেক থানার ইন্সপেক্টর মো. সাজু মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) ধারায় একই থানার এসআই মো. আসিফ ইকবাল চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১৭ সালের ২৯ আদালত আসামিদের বিরুব্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময় আদালত মামলার ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

Powered by Done 5 Technologies