বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
পুরুষ পূর্বসূরিদের চেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীনিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীপাহাড়ে পানিসংকট মোকাবিলায় ‘ভূমির ওপরের পানি’ ব্যবহারের তাগিদহিরো বাংলাদেশ ১২ বছরের যাত্রা উদযাপন: হিরো-নিলয় প্ল্যান্টে নতুন মাইলফলকবান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘গো আপ ফাউন্ডেশন’বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিংবন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় বান্দরবানে সচেতনতামূলক কমিউনিটি ডায়লগদীর্ঘস্থায়ী ৭,৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি নিয়ে শাওমি উন্মোচন করল নতুন রেডমি ১৭
আরো বিষয় খবর বাংলাদেশ

লামায় কৃষককে অপহরণ

শেয়ার করুন:

মো. নুরুল করিম আরমান, লামা প্রতিনিধি

বান্দরবান : জেলার লামা উপজেলা থেকে আব্দুল ছালাম (৬০) নামের এক কৃষককে ঘুম থেকে তুলে অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া উপজেলার জনৈক মোহাম্মদ হারেছ কোম্পানী গং গভীর রাতে অপহরণ করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন অপহৃত কৃষকের স্ত্রী ছালাহা বেগম। অপহৃত স্বামীকে উদ্ধারে করতে শুক্রবার দিনগত রাতে অভিযুক্ত মোহাম্মদ হারেছ কোম্পানীকে বিবাদী করে লামা থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

থানায় দায়েরকৃত এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ১২ জুন দিনগত রাতে মোহাম্মদ হারেছ কোম্পানীর নেতৃত্বে সশস্ত্র বাহিনী অস্ত্রের মুখে কৃষক আব্দুল ছালামের বাড়ী ঘর ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় জাতীয় জরুরী সেবা কেন্দ্র ৯৯৯ নম্বরে জানালে লামা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর জের ধরে গত ১৫ জুলাই দিনগত রাত ২টা ৪০ মিনিটের দিকে অজ্ঞাত নামা ৭ সদস্যের একটি সন্ত্রাসী দল অস্ত্র হাতে নিয়ে কৃষকের বাড়ী ঘর ঘেরাও করে। পরে জোর পূর্বক ঘরে প্রবেশ করে ঘুমন্ত কৃষক আব্দুল ছালামের চোখ ও হাত বেঁধে নিয়ে যায়।

অপহৃত কৃষকের স্ত্রী ছালাহা বেগম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে মোহাম্মদ হারেছ কোম্পানীর সাথে আমাদের বিরোধ চলে আসছিল। আমাদের জমি দখল করতে না পেরে আমার স্বামীকে অপহরণ করে নিয়ে গেছে তারা। তবে অপহরণের অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত মোহাম্মদ হারেছ কোম্পানী জানান, গত ১৫ দিন আগে হারেছ কোম্পানীর জায়গার উপর সরই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইদ্রিস কোম্পানীর সহায়তায় ছালাহা বেগম ও আব্দুল ছালাম একটি ঘর নির্মাণের চেষ্টা করেন। হারিছ কোম্পানী বাঁধা দিয়ে ঘর নির্মাণ বন্ধ করে দেন। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে হারেছ কোম্পানীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলেন।

এ বিষয়ে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) শিবেন বিশ্বাস জানায়, ছালাহা বেগমের দায়ের করা এজাহারটি স্থানীয় ক্যায়াজু পাড়া পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দালিখের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মৈত্রী/এফকেএ/এএ

Powered by Done 5 Technologies