সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
সদ্য সংবাদ
পাহাড়ে পানিসংকট মোকাবিলায় ‘ভূমির ওপরের পানি’ ব্যবহারের তাগিদচাঁদপুর পলিটেকনিকের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ২৫ সেপ্টেম্বরহিরো বাংলাদেশ ১২ বছরের যাত্রা উদযাপন: হিরো-নিলয় প্ল্যান্টে নতুন মাইলফলকবান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিংবন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় বান্দরবানে সচেতনতামূলক কমিউনিটি ডায়লগদীর্ঘস্থায়ী ৭,৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি নিয়ে শাওমি উন্মোচন করল নতুন রেডমি ১৭বিদ্যুৎ, গ্যাস ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বান্দরবানে ১১ দলীয় ঐক্যের স্মারকলিপিজনগণের সেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য : প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল
খবর

ত্রাণ বিতরণের পর এবার ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘গো আপ ফাউন্ডেশন’

শেয়ার করুন:

মৈত্রী ডেস্ক : ২০২৬ সালের ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকার মানুষের পাশে অব্যাহত সহায়তা নিয়ে দাঁড়িয়েছে অলাভজনক ও অরাজনৈতিক সংস্থা ‘গো আপ ফাউন্ডেশন’। প্রথম ধাপে ৭৫৬টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে জরুরি ত্রাণ দেওয়ার পর, এবার তারা আয়োজন করেছে দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প ও হাইজিন সামগ্রী বিতরণ।

​বন্যা-পরবর্তী সময়ে বান্দরবানের বহু বাসিন্দা ডায়রিয়া, চর্মরোগ ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে ভুগছেন। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় অ্যারিস্টো ফার্মার সহযোগিতায় প্রায় ৩০০টি পরিবারকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ করা হয়। একই সাথে ফুটস্টেপ বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে ইউনিসেফ প্রদত্ত বিশেষ ‘হাইজিন কিট’ প্রদান করা হয়। ২ জন অভিজ্ঞ চিকিৎসক এবং ১৫ জন স্বেচ্ছাসেবীর একটি সমন্বিত দল পুরো সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

​মানবিক এই কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শনে এসে গো আপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক ইশতিয়াক উদ্দিন আহমেদ খান বান্দরবানবাসীকে দীর্ঘমেয়াদী সহায়তার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, “বন্যার শুরু থেকেই আমরা আপনাদের সাথে আছি এবং ঘরবাড়ি পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে।”

​তিনি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের কথা জানান।

​একই সাথে তিনি বান্দরবানের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও সৌন্দর্য রক্ষায় যত্রতত্র বর্জ্য না ফেলার জন্য স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানান। স্থানীয় প্রশাসন সার্বিক নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিয়ে উদ্যোগটিকে সফল করতে সহায়তা করে।

​চিকিৎসা সেবায় অংশ নেওয়া প্রতিনিধিরা জানান, বন্যায় চর্মরোগ ও পানিবাহিত রোগীর চাপ ছিল বেশি, যার সর্বোচ্চ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবী জাহিদ ও সানজিদা জানান, পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি বেশ কঠিন হলেও দুর্গম এলাকায় খাদ্য পৌঁছানো থেকে শুরু করে রোগীদের সেবা দিতে পেরে তারা গর্বিত ও তৃপ্ত।

​গো আপ ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, শিগগিরই তারা দ্বিতীয় ধাপে অতিরিক্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে তালিকা তৈরি করবে এবং পুরোদমে দীর্ঘমেয়াদী পুনর্বাসন কাজ শুরু করবে। এই মানবিক কার্যক্রমে দেশের আপামর জনগণকে তাদের পাশে থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

মৈত্রী/এইচ.এম।

শেয়ার করুন:

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘরগুলো পূরণ করা আবশ্যক।

Powered by Done 5 Technologies