ভূঁইয়া আসাদুজ্জামান,
লিগ্যাল ভয়েস ডেস্ক :
চলতি অর্থবছরে ৫ লাখ ২৩ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হলেও আগামী ২০৩৪ সালে বাজেটের আকার ৮৫ লাখ কোটি টাকা দাঁড়াবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এডিবির সম্মেলনের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এই বক্তব্যের সমর্থনে যুক্তি দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, গেল ১০ বছরে দেশের অর্থনীতি নিয়ে আমি যতগুলো বক্তব্য দিয়েছি, সব অক্ষরে অক্ষরে মিলে গেছে। এটাও মিলবে।
এসময় অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, আগামী ২০৩০ সালে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩২তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে। আমরা এখন বিনিয়োগ করে যাচ্ছি, ফল এখনও পাইনি, তবে খুব শিগগিরই পাবো।
দেশের সার্বিক উন্নয়ন চিত্র তু্লে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে প্রভাবশালী ২০ দেশের তালিকায় আসছে বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের মধ্যে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে যেসব দেশ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে তার মধ্যে বাংলাদেশও থাকবে। ওই সময় বৈশ্বিক জিডিপির প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখবে এমন শীর্ষ ২০ দেশের তালিকায় ঢুকবে বাংলাদেশ।
এসময় আইএমএফ করা বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রক্ষেপণ তথ্যের ভিত্তিতে ব্লুমবার্গের প্রকাশ করা একটি প্রতিবেদন কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২৪ সাল পর্যন্ত বৈশ্বিক জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখবে চীন। চীনের অবদান থাকবে সবচেয়ে বেশি যা ২৮ শতাংশ। এর পরেই রয়েছে ভারত।
বাংলাদেশের উন্নয়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অবদান তুলে ধরে মুস্তফা কামাল বলেন স্বাধীনতার পর থেকে এডিবি দেশের নানা উন্নয়নে ২৫ বিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করেছে, আরও ১০ বিলিয়ন ডলার পাইপলাইনে আছে।
অভিজ্ঞতা অর্জনে পিডি (প্রকল্প পরিচালক) ও ডিপিডিদের (উপ প্রকল্প পরিচালক) থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এডিবির ভাল প্রকল্পের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রকল্পগুলোকে পুরস্কৃত করার জন্য দুদিনব্যাপি সম্মেলন শুরু হয়েছে গতকাল বুধবার। ‘ডেলিভারিং বেটার প্রোজেক্ট আউটকামস’ শীর্ষক সম্মেলনের আয়োজন করে গুড প্রজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন ফোরাম।
সম্মেলনের সমাপনী দিনে অর্থমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত রয়েছেন এশিয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মনোয়ার আহমেদ।



