বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
পুরুষ পূর্বসূরিদের চেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীনিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীপাহাড়ে পানিসংকট মোকাবিলায় ‘ভূমির ওপরের পানি’ ব্যবহারের তাগিদহিরো বাংলাদেশ ১২ বছরের যাত্রা উদযাপন: হিরো-নিলয় প্ল্যান্টে নতুন মাইলফলকবান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘গো আপ ফাউন্ডেশন’বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিংবন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় বান্দরবানে সচেতনতামূলক কমিউনিটি ডায়লগদীর্ঘস্থায়ী ৭,৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি নিয়ে শাওমি উন্মোচন করল নতুন রেডমি ১৭
শীর্ষ খবর

রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘায়িত হলে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

শেয়ার করুন:

ঢাকা, লিগ্যাল ডেস্ক : পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন আজ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘায়িত হলে তা উগ্রবাদকে উৎসাহিত করতে পারে, যা গোটা অঞ্চলে অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। তিনি বলেন, ‘যদি এই সমস্যা দীর্ঘায়িত হয় তাহলে তা উগ্রবাদের পরিস্থিতি সৃষ্টিকে উৎসাহিত করতে পারে এবং তা শুধু মিয়ানমার ও বাংলাদেশের জন্যই নয়, বরং পুরো অঞ্চলে অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে।’
আজ রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশে জাতিসংঘ কার্যালয় যৌথভাবে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ ও মানবাধিকার’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করে।


ড. মোমেন বলেন, ‘রোহিঙ্গাদেরকে অবশ্যই যততাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের নিজেদের দেশে ফিরে যেতে হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের দৃষ্টিতে রোহিঙ্গা নিধন হচ্ছে মিয়ানমারে ‘নৃতাত্ত্বিক নির্মূল অভিযান-এর ক্ল্যাসিক্যাল উদাহরণ’ এবং অন্যদের দৃষ্টিতে এটা ‘গণহত্যা’। জঘন্যতম এই মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় তৎপরতা কামনা করেন।


তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে নয়, এই সংকটটিকে তার উৎস মূলে (মিয়ানমার) সমাধান কবার জন্য বিশ্ব নেতৃত্বকে এগিয়ে আসতে হবে।’
ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, রাষ্ট্রবিহীন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠি শত শত বছর যাবৎ মিয়ানমারে বসবাস করে আসছে এবং রাষ্ট্র হিসাবে মিয়ানমার তার নিজের জনগনের জন্য বাধ্যবাধকতা ও দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে।
মিয়ানমারের প্রায় ১২ লাখ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা বাসিন্দা বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে অবস্থান করছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, যত শিগগির সম্ভব তাদের নিরাপদে প্রত্যাবর্তন করানো প্রয়োজন। মিয়ানমার এই সংকটের সৃষ্টি করেছে এবং এটা সমাধান করা তাদেরই দায়িত্ব। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের নির্যাতিত জনগণকে আশ্রয় দিয়ে বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে বদনাম ও কলঙ্ক থেকে রক্ষা করেছেন।’ এই নির্যাতিত জনগোষ্ঠিকে আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মানবতার রোল মডেল’ এবং ‘মানবাধিকার ও মূল্যরোধ রক্ষায় বিশ্বের নেতা’য় পরিনত হয়েছেন। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো পুনরায় বিপুলভাবে ভোট দিয়ে বাংলাদেশকে সংস্থাটির মানবাধিকার কমিশনের সদস্য নির্বাচিত করেছে।


তিনি সুশীল সমাজ, আমলা, পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, গনমাধ্যম সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ও ‘মানবাধিকারের সংস্কৃতি’র বিষয়টিকে গূরুত্ব দিয়ে মানবাধিকার রক্ষার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনার আহবান জানান।
বাংলাদেশের নতুন সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সকল নাগরিকের মানবাধিকার ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন
সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো।

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘরগুলো পূরণ করা আবশ্যক।

Powered by Done 5 Technologies