শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
বান্দরবানে তাবলিগি মারকাজ মসজিদের প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করলেন পার্বত্য মন্ত্রী থানচিতে চ্যাম্পিয়ন নারী ফুটবলারদের জমকালো সংবর্ধনা ২৭ অক্টোবরখাদ্য ব্যবসায় বিএফএসএ নিবন্ধন বাধ্যতামূলকবান্দরবানে হাফেজঘোনা ও মেম্বার পাড়া পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করল পর্যবেক্ষণ কমিটিশুকরের চর্বি থেকে তেল তৈরি করতে গিয়ে আগুন, পুড়ল বসতঘরবান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন: কে পেলেন কোন দপ্তরগুজবে কান দেবেন না, যাচাই ছাড়া তথ্য ছড়াবেন না : সেক্টর কমান্ডার রুবায়াতবান্দরবানের রাজার মাঠে শারদীয় দুর্গাপূজা ও শারদ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন
আইন-আদালত নির্বাচিত

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুদকের পরিচালক বাছিরকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

শেয়ার করুন:

শাহ্ সাকিব / ণিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর :

ঘুষ কেলেঙ্কারির মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে জামিন দেননি হাইকোর্ট। তবে কেন তাকে জামিন প্রদান করা হবে না- মর্মে কারণ দর্শাতে রুল জারি করেছেন আদালত। সংশ্লিষ্টদের দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন।
ডেপুটি এটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক আদালতের আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ফারুক আলমগীর চৌধুরী ।

গত বছরের ২২ জুলাই এনামুল বাছিরকে গ্রেফতার করে। পরের দিন ২৩ জুলাই জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন, কমিশনের তথ্য পাচার ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে এর আগে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে সংস্থাটি।

গত বছরের ১৬ জুলাই ৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে পুলিশের বরখাস্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান ও দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে দায়মুক্তি দিতে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেয়ার জন্য ‘চুক্তি’ করেন খন্দকার এনামুল বাছির। সঙ্গে দাবি করেছেন একটি গাড়ি।

৪০ লাখ টাকার মধ্যে ২৫ লাখ টাকা গত ১৫ জানুয়ারি রমনা পার্কে বাজারের ব্যাগে করে নগদে নিয়েছেন দুদকের বরখাস্ত হওয়া এই পরিচালক। তিনি দুদকের অনুসন্ধান ও তদস্ত-২ অনুবিভাগের দায়িত্বে ছিলেন।

ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ পেয়েই পদক্ষেপ নেয় দুদক। এ ঘটনা তদন্তে কমিশনের সচিব দিলওয়ার বখতকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

খন্দকার এনামুল বাছির ১৯৯১ সালে অ্যান্টি করাপশন অফিসার (এসিও) হিসাবে তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোতে যোগ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হওয়ার পর তিনি সহকারী পরিচালক, উপ-পরিচালক ও পরিচালক হিসাবে পদোন্নতি পান।

Powered by Done 5 Technologies