মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
বান্দরবানে হাফেজঘোনা ও মেম্বার পাড়া পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করল পর্যবেক্ষণ কমিটিশুকরের চর্বি থেকে তেল তৈরি করতে গিয়ে আগুন, পুড়ল বসতঘরবান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন: কে পেলেন কোন দপ্তরগুজবে কান দেবেন না, যাচাই ছাড়া তথ্য ছড়াবেন না : সেক্টর কমান্ডার রুবায়াতবান্দরবানের রাজার মাঠে শারদীয় দুর্গাপূজা ও শারদ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজন বাধ্যতামূলকপাহাড়ের দুর্যোগ ও ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসচেতনতা তৈরির তাগিদ পার্বত্য মন্ত্রীরশিক্ষার্থীদের সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক মানুষ হতে হবে– পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী
আরো বিষয় খবর বাংলাদেশ

লামায় আগুনে পুড়ে গেল ত্রিপুরা পল্লীর ৯ বসতঘর : ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি

লামায় আগুন ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘরের একাংশ।
শেয়ার করুন:

বান্দরবান : লামা উপজেলায় দুর্গম পাহাড়ি এলাকার একটি ত্রিপুরা পল্লীর ৯ কাঁচা বসতঘর আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের আকিরাম ত্রিপুরা পাড়ায় এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে বসতঘর মালিকের প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয় বলে দাবী করা হয়েছে। পাড়ার সোনা চন্দ্র ত্রিপুরার ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোস্তফা জামাল, ভাইস চেয়ারম্যান মো. জাহেদ উদ্দিন, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বাথোয়াইচিং মার্মা ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ আগুন নিভানোর কাজে দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।

সূত্র জানায়, বুধবার বেলা ১২টার দিকে আকিরাম ত্রিপুরা পাড়ার বাসিন্দা সোনা চন্দ্র ত্রিপুরার ঘর থেকে আগুন জ্বলে ওঠে। দ্রুত আগুন আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে পাড়ার হাবুইতি ত্রিপুরা, খেমাজন ত্রিপুরা, আকিরাম ত্রিপুরা, মিহির ত্রিপুরা, বলি চন্দ্র ত্রিপুরা, ফিলিরাম ত্রিপুরা, সাধুরাম ত্রিপুরা, নয়ারাম ত্রিপুরার বসতঘরসহ ঘরের জিনিসপত্র সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক পরিষদ সদস্য প্রিতমা ত্রিপুরা, ক্ষতিগ্রস্ত নয়ারাম ত্রিপুরা ও বলিচন্দ্র ত্রিপুরা বলেন, সোনা চন্দ্র ত্রিপুরা ছোট ছেলে মেয়েদেরকে ঘরে রেখে সকালে জুমে কাজ করতে যান। তার ছেলে মেয়েরা খেলারচ্ছলে ঘরের মশারীতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে করে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ায় এবং ঘরগুলো পাহাড়ের ওপর থাকায় ৯টি বসতঘরের কোন জিনিসপত্র রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে লামা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ইনচার্জ মো. মোজাম্মেল হক বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে দুর্গম পাহাড়ি পথ ও ঘরগুলো পাহাড়ের ওপরে হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা কিছুটা সমস্যা হয়েছে।

আগুনে ৯ বসতঘর পুড়ে ছাই হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে গজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বাথোয়াইচিং মার্মা বলেন, ঘটনাটি খুবই দু:খ জনক। আগুনে প্রাথমিকভাবে ৯ বসতঘর মালিকের প্রায় ২৫লাখ টাকার অধিক ক্ষতি হয়েছে। তাৎক্ষনিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদেরকে পরিষদের পক্ষ থেকে ২০ কেজি করে চাউল, হাড়ি পাতিলসহ যাবতীয় সহায়তা করা হয়েছে।

মৈত্রী/এফকেএ/এএ

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘরগুলো পূরণ করা আবশ্যক।

Powered by Done 5 Technologies