মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
বান্দরবানে হাফেজঘোনা ও মেম্বার পাড়া পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করল পর্যবেক্ষণ কমিটিশুকরের চর্বি থেকে তেল তৈরি করতে গিয়ে আগুন, পুড়ল বসতঘরবান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন: কে পেলেন কোন দপ্তরগুজবে কান দেবেন না, যাচাই ছাড়া তথ্য ছড়াবেন না : সেক্টর কমান্ডার রুবায়াতবান্দরবানের রাজার মাঠে শারদীয় দুর্গাপূজা ও শারদ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজন বাধ্যতামূলকপাহাড়ের দুর্যোগ ও ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসচেতনতা তৈরির তাগিদ পার্বত্য মন্ত্রীরশিক্ষার্থীদের সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক মানুষ হতে হবে– পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী
আরো বিষয় খবর বাংলাদেশ

লামা পৌর শহরকে রেড জোন চিহ্নিত করে ‘লকডাউন’ ঘোষণা

শেয়ার করুন:

মো. নুরুল করিম আরমান, লামা প্রতিনিধি

বান্দরবান : প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রেড জোন, ইয়োলো জোন ও গ্রিন জোন করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করে ২৫ জুন থেকে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের লামা পৌর শহরকে ‘লকডাউন’ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি এ ঘোষণা দেন। লকডাউন ঘোষণা করে দোকান-পাট বন্ধরাখাসহ স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুবল চাকমার নেতৃত্বে শহরে মাইকিং করে জনসাধারণকে সতর্ক করে পুলিশ ও তথ্য অফিস।

জানা যায়, বেশি আক্রান্ত এলাকাকে রেড, অপেক্ষাকৃত কম আক্রান্ত এলাকাকে ইয়োলো ও একেবারে কম আক্রান্ত বা আক্রান্ত মুক্ত এলাকাকে গ্রিন জোন হিসেবে চিহ্নিত করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। বিধি মতে রেড জোনকে লকডাউন করা হবে, ইয়োলো জোনে যেন আর সংক্রমণ না বাড়ে সেই পদক্ষেপও নেয়া হয়। সতর্কতা থাকবে গ্রিন জোনেও। বিধি মতে, লকডাউন এলাকায় সবধরনের ব্যক্তিগত গাড়ি ও গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে। অনুমতি সাপেক্ষে জরুরি সেবার গাড়িগুলো চলতে পারবে। তবে পণ্যবাহী গাড়ির মালামাল লোড-আনলোড রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টার মধ্যে শেষ করতে হবে। দিনের বেলায় কোনো ধরনের পণ্যবাহী গাড়ি ঢুকতে পারবে না। এছাড়া লকডাউন চলাকালে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনো লোকজন ঘর থেকে বের হতে পারবে না। এছাড়া রেড জোনে শুধু ফার্মেসি, হাসপাতাল, নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ২৫জুন পর্যন্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য কর্মী, পুলিশ, সাংবাদিক, চেয়ারম্যান, এনজিও কর্মীসহ ৩০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১৩ জন। বাকিরা চিকিৎসাধীন। গত ২৩ ও ২৪ জুনের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল আসলে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, গত ২৩জুন একদিনেই পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও পুলিশ সদস্যসহ ১০ ব্যক্তির করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। এতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তদের নির্দেশনানুযায়ী লামা লামা পৌর শহর রেড় জোনের আওতায় পড়ে।
লকডাউনের বিষয়টি নিশ্চিত করে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমি বলেন, গত কয়েকদিন পৌর এলাকায় করোনা পজিটিভ রোগী সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তাই সংক্রমণ এড়াতে এ লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী ২১দিন পর্যন্ত লকডাউন কার্যকর থাকবে। যারা এই আদেশ অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মৈত্রী/এফকেএ/এএ

Powered by Done 5 Technologies