বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
পুরুষ পূর্বসূরিদের চেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকেন জাপানের প্রধানমন্ত্রীনিরাপদ খাদ্য পরীক্ষার ভ্রাম্যমাণ ল্যাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীপাহাড়ে পানিসংকট মোকাবিলায় ‘ভূমির ওপরের পানি’ ব্যবহারের তাগিদহিরো বাংলাদেশ ১২ বছরের যাত্রা উদযাপন: হিরো-নিলয় প্ল্যান্টে নতুন মাইলফলকবান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে ‘গো আপ ফাউন্ডেশন’বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিংবন্যার ঝুঁকি মোকাবিলায় বান্দরবানে সচেতনতামূলক কমিউনিটি ডায়লগদীর্ঘস্থায়ী ৭,৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি নিয়ে শাওমি উন্মোচন করল নতুন রেডমি ১৭
অর্থ ও বাণিজ্য নির্বাচিত পার্বত্য

নাইক্ষ্যংছড়িতে খাল খননের সাশ্রয় কোটি টাকার বেশি সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

শেয়ার করুন:

নাইক্ষ্যংছড়ি প্রতিনিধি :
সঠিক পরিকল্পনা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে সরকারি প্রকল্পের অর্থ যে বড় ধরণের সাশ্রয় করা সম্ভব, তার এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন। নাইক্ষ্যংছড়ি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের মানসম্মত কাজ শেষ করার পর অব্যয়িত ১ কোটি ৩ লাখ ৮৩ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়ে সততার এক চমৎকার উদাহরণ সৃষ্টি করা হয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ও সোনাইছড়ি ইউনিয়নের দুটি খাল পুনঃখননের জন্য সরকার মোট ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। এর মধ্যে ৪ দশমিক ৫০০ কিলোমিটার জারুলিয়াছড়ি খাল এবং ২ দশমিক ৫০০ কিলোমিটার নাইক্ষ্যংছড়ি সদর খাল পুনঃখননে মোট ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ ১৭ হাজার টাকা। নির্ধারিত মান অক্ষুণ্ন রেখেই এই কাজ সম্পন্ন করা হয়।

চলতি বছরের মে ও জুন মাসে শুরু হওয়া মাসব্যাপী এই খননকাজে নিয়মিত তদারকি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. এনামুল হাসান। শ্রমিকদের মজুরি, যন্ত্রপাতি ব্যবহার ও আনুষঙ্গিক সব বিল পরিশোধের পর অবশিষ্ট ১ কোটি ৩ লাখ ৮৩ হাজার টাকা সরকারি বিধি অনুযায়ী কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন খাল দুটি ভরাট থাকায় বর্ষায় জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট ছিল নিত্যদিনের ভোগান্তি। ৩০টির বেশি বিলের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল হওয়ায় এখন জলাবদ্ধতা দূর হয়েছে। এতে আমন ধান চাষের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি স্থানীয় কৃষি উৎপাদনে বিপ্লব ঘটবে বলে আশা করছেন তারা।

ইউএনও মো. এনামুল হাসান বলেন, “সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। প্রতিটি ধাপে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেই এই কাজ করা হয়েছে। জনগণের কল্যাণে বরাদ্দকৃত অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং সর্বোচ্চ সাশ্রয় করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

প্রশাসনের এমন দায়িত্বশীলতা ও সততা স্থানীয় সাধারণ মানুষ এবং সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক প্রশংসার জন্ম দিয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘরগুলো পূরণ করা আবশ্যক।

Powered by Done 5 Technologies