মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
বান্দরবানে হাফেজঘোনা ও মেম্বার পাড়া পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করল পর্যবেক্ষণ কমিটিশুকরের চর্বি থেকে তেল তৈরি করতে গিয়ে আগুন, পুড়ল বসতঘরবান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন: কে পেলেন কোন দপ্তরগুজবে কান দেবেন না, যাচাই ছাড়া তথ্য ছড়াবেন না : সেক্টর কমান্ডার রুবায়াতবান্দরবানের রাজার মাঠে শারদীয় দুর্গাপূজা ও শারদ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট সংযোজন বাধ্যতামূলকপাহাড়ের দুর্যোগ ও ঝুঁকি মোকাবিলায় জনসচেতনতা তৈরির তাগিদ পার্বত্য মন্ত্রীরশিক্ষার্থীদের সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক মানুষ হতে হবে– পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী
নির্বাচিত

ঢাকায় ৫ পয়ঃশোধনাগার নির্মাণ করা হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

শেয়ার করুন:

আহমদ রেজা / লিগ্যাল ভয়েস টোয়েন্টিফোর :

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, রাজধানীর পয়:বর্জ্য সঠিক উপায়ে নিষ্কাশনের জন্য ৫টি পয়:শোধনাগার নির্মাণ করা হবে। ইতিমধ্যে ৩ হাজার ৩১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দাশেরকান্দি পয়:শোধনাগার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শীঘ্রই পাগলা, রায়েরবাজার, উত্তরা ও মিরপুরে আরো ৪টি পয়:শোধনাগার নির্মাণ করা হবে।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ সংলগ্ন পয়:লিফটিং স্টেশন এবং আফতাবনগরে পূর্ব প্রান্তে নির্মাণাধীন দাশেরকান্দি পয়:শোধনাগার প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সঠিক উপায়ে সুয়ারেজ ব্যবস্থাপনা না করলে ভবিষ্যতে ঢাকা শহর পরিবেশ ও নদীদূষণে অযোগ্য হয়ে যাবে। এ প্রকল্প চালু হলে পয়:বর্জ্য এখানে এনে পুড়ে ফেলা হবে এবং তরল পরিশোধিত বর্জ্য খালের মাধ্যমে নিষ্কাশন করা হবে। এর ফলে নদী ও পরিবেশ দূষণ কমে আসবে।

সরকারের উন্নয়ন ও ভালো কাজগুলো মানুষের কাছে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আমাদের ভালো কাজ মানুষের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তারা যদি উন্নয়ন দেখে সরকারকে সমর্থন করে, তাদের মানসিক সমর্থন আমাদের উৎসাহ যোগাবে। জনগণের মানসিক সমর্থন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, কীভাবে ঢাকা শহরকে দৃষ্টিনন্দন করা যায়, আমরা তার মহাপরিকল্পনা নিয়েছি। এই অপরিকল্পিত শহরকে দূষণমুক্ত করা কঠিন কাজ। তারপরও মহাপরিকল্পনা তৈরি করে সমন্বয় করে উন্নয়ন কাজ করা হবে।

উল্লেখ্য ২০১৫ সালে শুরু হওয়া দাশেরকান্দি পয়:শোধনাগার প্রকল্প ২০২২ সালে সম্পন্ন হবে। এ প্রকল্পে চীনের এক্সিম ব্যাংক ঋণ সহায়তা দিবে ২ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ সরকার ও ঢাকা ওয়াসা যোগান দিবে ১ হাজার ১৩৪ কোটি টাকা। এসময় স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. জহিরুল ইসলাম, ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাসকিন এ খানসহ মন্ত্রণালয় ও ওয়াসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। * চিহ্নিত ঘরগুলো পূরণ করা আবশ্যক।

Powered by Done 5 Technologies