বদলাবো আগামী” এই স্লোগানে এগিয়ে যাচ্ছে “লাইটার বাংলাদেশ”

আসিফ ইকবাল, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম : বদলাবো আগামী” এই স্লোগানে দীক্ষিত হয়ে “লাইটার বাংলাদেশ” যখন সবে মাত্র ৩য় বর্ষপূর্তি পালন করে ৪র্থ বর্ষে পা রাখলো, তার কিছুকাল পরেই দেশে হানা দিলো করোনা নামক প্রাণঘাতী ভাইরাস। তাই নিজেদের সবটুকু দিয়ে অতীতের মত এই ভয়ংকরতম সময়ে দেশের তরে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদী দুই ধরনের কার্যক্রম সম্বলিত প্রোজেক্ট নিয়ে মাঠে নেমে গেল লাইটার বাংলাদেশ। প্রজেক্ট গুলোঃ ১.প্রজেক্ট ১(স্যানিটাইজেশন) এযাবৎকালে লাইটার বাংলাদেশ মোট ৩৯ লিটার হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ করেছে। তারমধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ফ্রন্টলাইনার হিসেবে তিনটি থানা ও সাধারণ মানুষ। এছাড়াও একটি জীবাণুনাশক টানেল বসানো হয় ১৫ নম্বর ঘাট, বাটারফ্লাই পার্কে নবনির্মিত ফিল্ড হাসপাতালে। এসব কার্যক্রম এর মূল লক্ষ্য ছিল মানুষকে নিজের নিরাপত্তায় সচেতন করে তোলা। ২.প্রজেক্ট ২ (ক্ষুধা নিবারণের চেষ্টা) এই প্রজেক্টের আওতায় বারেক বিল্ডিং হতে পতেঙ্গা পর্যন্ত অদ্যাবধি ৪৫০ পরিবারকে ত্রাণ উপহার দেওয়া হয়। এছাড়াও এই প্রজেক্টের আওতায় উক্ত এলাকাস্থ সম্মানিত হাফেজ, ইমাম, মুয়াজ্জিনদের তাঁদের প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী উপহার প্রদানের কাজ সম্পন্ন করা হয়।

করোনা পরবর্তী স্বল্প পুঁজির ব্যবসায়ী, যারা করোনার কারণে দারিদ্রসীমার নিচে নেমে যাবার আশংকা রয়েছে, তাদেরকে আবার স্বাবলম্বী করে দিতে লাইটার বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদী এই প্রজেক্ট। এর অর্থায়ন হবে যাকাত এর মাধ্যমে। আপাতত লাইটার বাংলাদেশ এরকম ১০ টি পরিবারকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে কাজ করছে। আপনিও চাইলে অংশ নিতে পারেন এই কার্যক্রম এ। করোনাকালীন সময় ও লাইটার বাংলাদেশ নিয়ে সংগঠনটির সভাপতি রেদোয়ান আহমেদ বলেন, “আমরা কাজ করি দেশের নিম্নবিত্ত মানুষদের নিয়ে, আর এই সময় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত তারাই। তাই আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছি আমাদের প্রিয় স্বদেশকে এই আপদকালীন সময় থেকে উত্তরণের।

মৈত্রী/এফকেএ/এএ