দুদক অভিযান

প্রতারক চক্রের সদস্য আবু ছালেক , নুরে আলম, মঈনুল হক ভুয়া পরিচয়পত্র ব্যবহার করে মোট ৩৩ টি ব্যাংকের শাখায় একাউন্ট খুলে ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করেছে মর্মে একটি অভিযোগ অনুসন্ধান করা হয়। অনুসন্ধানকালে এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক গঠিত একটি তদন্তকমিটির প্রতিবেদন এবং সোনালী ব্যাংক কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন সংগ্রহ করা হয়। এই প্রতিবেদন সমূহের সুপারিশ ও অন্যান্য তথ্যাদির আলোকে কমিশনের অনুমোদনক্রমে দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন উপপরিচালক বর্তমানে পরিচালক জনাব আবদুল্লাহ-আল-জাহিদ ২০১২সালে বিভিন্ন থানায় ৩৩টি মামলা রুজু করেন। এই মামলাসমূহ তদন্ত করার জন্য ভিন্ন ভিন্ন নয়জন তদন্তকারী কর্মকর্তানিয়োগ প্রদান করা হয়। তদন্তকালে কর্মকর্তাগণ সংশ্লিষ্ট কাগজ-পত্র ওঅন্যান্যা দালিলিক প্রমাণাদি জব্দ করে এবং বিভিন্ন সাক্ষীর জবানবন্দী রেকর্ড করে । তদন্ত শেষে কমিশনের অনুমোদনক্রমে ২০১৪-২০১৫ সালে এসব চার্জশিট আদালতে দাখিল করে। এরমধ্যে ২৬টি মামলায় জাহে আলমকেই আবুসালেক হিসেবে চার্জশিটভুক্ত করা হয়।যেভাবে জাহালামের নাম অন্তর্ভুক্ত হয় ?একাধিক ব্যাংক কর্মকর্তা জাহালমকেই আবু সালেক হিসেবে চিহ্নিত করেন। এছাড়া স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যগণ ছবি দেখেই তাকে সনাক্ত করেন। এছাড়া সোনালী ব্যাংক লিঃ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট শাখা,ঢাকার মোঃ আবু ছালেক এর ব্যাংক একাউন্ট নং০০১০২০৯৭৪ এর ওপেনিং ফরমে প্রথম কনটাক্ট নং ০১৯২৯৩৩৪৭১৬এবং দ্বিতীয় কনটাক্ট নং ০১৭৪৯ ৬৮৫০৫১ দেয়া আছে। আবার একই ছবি ব্যাবহার করে ব্রাক ব্যাংক এস.এম.ই শাখায় মেহেরুন ছামাদ ট্রেডার্স প্রোঃ গোলাম মোর্ত্তজার নামীয় একাউন্ট ওপেনিং ফরমে একই মোবাইল নং ০১৭৪৯ ৬৮৫০৫১ দেওয়া আছে। কাজেই রেকর্ডপত্রে দেখা যাচ্ছে মোঃ আবু ছালেক এর সোনালী ব্যাংক লিঃ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট শাখা,ঢাকার একাউন্ট ওপেনিং ফরমের দ্বিতীয় কনটাক্ট নং ০১৭৪৯ ৬৮৫০৫১ এবং মেহেরুন ছামাদ ট্রেডার্স
প্রোঃ গোলাম মোর্ত্তজার একাউন্ট ওপেনিং ফরমের কনটাক্ট নং০১৭৪৯ ৬৮৫০৫১ একই মোবাইল নম্বর। দু ক্ষেত্রে একই ছবি ব্যবহারকরা হয়েছে। এ বিষয়ে রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে চেয়ারম্যান, বিটিআরসি বরাবর পত্র প্রেরণ করা হয়। তৎপ্রেক্ষিতে প্রাপ্ত তথ্যপর্যালোচনায় দেখা যায় ০১৭৪৯ ৬৮৫০৫১ মোবাইল নম্বরটি মোঃ আবু সালেক নামে রেজিস্ট্রেশনকৃত। রেজিস্ট্রেশনকালে সংযুক্ত জাতীয় পরিচয়পত্রে ঘওউ ঘড়. ৯৪১৯ ৪২৫২ ৪৫৮১৫ এবং জন্ম তারিখ১/৫/১৯৮৩, পিতা: মো: আব্দুল ছালাম, ঠিকানা: গুনিপাড়া,সলিমাবাদ, নাগরপুর, টাঙ্গাইল বলে উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তীতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের প্রতিবেদন আবু সালেহ ও জাহালমযে ভিন্ন ব্যক্তি এ বিষয়টি উঠে আসে।প্রতিবেদনটি কমিশনের গোচরীভূতহলে কমিশনের সিদ্ধান্তক্রমে কমিশনার (তদন্ত) এএফএম আমিনুল ইসলাম এরসভাপতিত্বে গত ২৭/০২/২০১৮ খ্রি. তারিখে একটি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিতহয়। উক্ত সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক মামলাগুলি অধিকতর তদন্ত করার জন্য গত১০/০৩/২০১৮ খ্রি. তারিখ থেকে ২০/০৩/২০১৮ খ্রি. তারিখের মধ্যে ৯ জনকর্মকর্তাকে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয় এবং একই সাথে মামলাগুলোরবিচার কার্যক্রম স্থগিত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতের বিজ্ঞ পিপিগণকেপত্র প্রেরণ করা হয়। কমিশন তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ কর্তৃক গত ১৭/১০/২০১৮ খ্রি. তারিখ হতে ২৫/১০/২০১৮খ্রি. তারিখের মধ্যে অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। দাখিলকৃতপ্রতিবেদনে উপর মতামত প্রদানের জন্য নথিগুলি গত ৩১/১০/২০১৮ তারিখে আইন অনুবিভাগে প্রেরণ করা হলে আইন অনুবিভাগ থেকে ২৬/১১/২০১৮ তারিখসহ বিভিন্ন তারিখে প্রদত্ত মতামতের ভিত্তিতে কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে আসামীমোঃ আবু ছালেক, পিতা: মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, মাতা: মোছাঃ সালেহা খাতুন,ঠিকানা- গ্রাম: সিংগীয়া, ৮ নং ওয়ার্ড, বালিয়া ইউনিয়ন, থানা: ঠাকুরগাঁওসদর, জেলা: ঠাকুরগাঁওকে অন্তর্ভূক্ত করে সম্পূরক চার্জশীট এবং অধিকতর তদন্তেঅপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় জনাব মোঃ জাহালম (পূর্বে দাখিলকৃত চার্জশীটেরআসামী), পিতা- মো: ইউসুফ আলী, মাতা- মনোয়ারা বেগম, গ্রাম- ধুপড়িয়া,
ডাকঘর-ধুবড়িয়া, থানা-নাগরপুর, জেলা- টাঙ্গাইল নিরপরাধ মর্মে প্রতিয়মানহওয়ায় ঞযব ঈৎরসরহধষ খধি অসবহফসবহঃ অপঃ, ১৯৫৮ এর ১০(৪) ধারার বিধান বলে তার প্রসিকিউশন প্রত্যাহারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট পিপিগণকে ২৪/১২/২০১৮ হতে ২৭/১২/২০১৮ তারিখের মধ্যে বিভিন্ন স্মারকে পত্রপ্রেরণ করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ কর্তৃক দাখিলকৃত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে,অধিকতর তদন্তকালে বিগত ৩০-০৫-২০১৮ খ্রি. তারিখ হতে ০২-০৬-২০১৮ খ্রি. তারিখপর্যন্ত ০৪(চার) জন তদন্তকারী কর্মকর্তা ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় জেলার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন টিম বিগত ৩১-০৫-২০১৮ তারিখ সকাল ১০:০০ঘটিকায় সন্দিগ্ধ আবু ছালেকের ঠিকানা: গ্রাম: সিংগিয়া, ডাকঘর: সবদলহাট, উপজেলা: ঠাকুরগাঁও, জেলা: ঠাকুরগাঁও এ গমন করে। সেখানে তার বাবাআব্দুল কুদ্দুস, মা সালেহা বেগম ও স্থানীয় কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। অধিকতর তদন্তকালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায় যে, মোঃ আবু ছালেক (গফ অনঁ ঝধষবয়) এর পিতা: মোঃ আব্দুল কুদ্দুস ওমাতা: মোছাঃ সালেহা খাতুন এবং তার ঠিকানা- গ্রাম: সিংগীয়া, ৮ নংওয়ার্ড, বালিয়া ইউনিয়ন, থানা: ঠাকুরগাঁও সদর, জেলা: ঠাকুরগাঁও; জাতীয়পরিচয়পত্র নম্বর: ১৯৮৩৯৪১৯৪২১২৪২৮১৫, জন্ম তারিখ: ০১-০৫-১৯৮৩ যা তদন্তকালে সঠিক মর্মে প্রতীয়মান হয়েছে। অধিকতর তদন্তকালে মো: আবু ছালেক নামীয় সোনালী ব্যাংক লি:, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট শাখা, ঢাকার হিসাব নং: ০০ ১০২০৯৭৪ তারিখ ০৮/০২/২০১০ খ্রি:. সংশি¯œষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনায় দেখা যায় যে,হিসাবটি খোলার সময় নাম ও ছবি ঠিক রাখা হয় কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্রেরকয়েকটি ডিজিট পরিবর্তন করে আইডি নং- ৯৪১৯ ৪২৫২ ৪৫৮১৫ এবং পিতা-মাতার নাম পরিবর্তন করে যথাক্রমে পিতা : মো: আব্দুল ছালাম ও মাতা : মোসা:ছালেহা খাতুনসহ ঠিকানা পরিবর্তন করে (১) স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: শুনিপাড়া,পো: সলিমাবাদ, থানা : নাগরপুর, জেলা : টাঙ্গাইল এবং (২) বর্তমান ঠিকানা :টি এ মনজিল, ১১/৬ হারুনাবাদ, মিরপুর সেকশন-১২, ঢাকা ব্যবহার করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, ঢাকায় সংরক্ষিত আইডি কার্ডের “ছালেক” নামীয় ইংরেজী স্বাক্ষরটি এবং সোনালী ব্যাংক লি:, এর বর্ণিত হিসাবেরকাগজপত্রে থাকা “ছালেক” নামীয় ইংরেজী স্বাক্ষরটি একই স্বাক্ষর মর্মে খালি চোখেই প্রতীয়মান হয়। তৎপ্রেক্ষিতে তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ আসামী মোঃ আবু ছালেক, পিতা: মোঃআব্দুল কুদ্দুস, মাতা: মোছাঃ সালেহা খাতুন, ঠিকানা- গ্রাম: সিংগীয়া, ৮ নং ওয়ার্ড, বালিয়া ইউনিয়ন, থানা: ঠাকুরগাঁও সদর, জেলা: ঠাকুরগাঁওকে অন্তর্ভূক্তকরে পরস্পর যোগসাজশে একে অন্যকে লাভবান করার অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারণা ওজালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে ভিন্ন পরিচয় ধারণপূর্বক ভূয়া ব্যাংক একাউন্ট খুলে, ভূয়া ক্লিয়ারিং ভাউচারের মাধ্যমে ব্যাংক একাউন্টে অর্থ জমা দেখিয়ে
৫৬,৭০,০০০/- (ছাপ্পান্ন লক্ষ সত্তর হাজার টাকা) টাকা আত্মসাত এবং পরবর্তীতে আত্মসাৎকৃত অর্থের অবৈধ উৎস গোপন করার নিমিত্ত স্থানান্তর করার মাধ্যমে দন্ডবিধির ৪০৯/৪১৯/৪২০/১০৯ ধারা, ১৯৪৭ সালে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (পূর্বতন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০০৯) এর ৪(২) ধারা অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ করায় সম্পূরক চার্জশীট দাখিল করেন। অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদনে জনাব মোঃ জাহালম (পূর্বে দাখিলকৃত চার্জশীটের আসামী), পিতা- মো: ইউসুফ আলী, মাতা- মনোয়ারা বেগম, গ্রাম- ধুপড়িয়া,ডাকঘর-ধুবড়িয়া, থানা-নাগরপুর, জেলা- টাঙ্গাইল নিরপরাধ মর্মে প্রতীয়মান হওয়ায় ঞযব ঈৎরসরহধষ খধি অসবহফসবহঃ অপঃ, ১৯৫৮ এর ১০(৪) ধারার বিধান বলে তার প্রসিকিউশন প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিষ্ট পিপিগণ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণকরেছেন।ইতোমধ্যে বিজ্ঞ আদালত কয়েকটি মামলায় জাহালম এর প্রসিকিউশন প্রত্যাহার করেছেন এবং বিষয়টি কমিশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আইনি পরিকাঠামের মধ্যথেকে জাহ আলমকে মুক্ত করার ব্যভস্থা গ্রহণ করে । মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের প্রদত্ত আদেশ অনুসারে ইতোমধ্যে জাহআলমকে মুক্ত করা হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনক হলেওসত্য বিচারাধীন বিষয় নিয়ে টিআইবি কিংবা জাতীয় মানবাধিকারকমিশন এবং কোনো রাজনৈতিক দল দুদককে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করছে। এবিষয়ে কমিশনের বক্তব্য হচ্ছে কমিশন আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতের যে কোনোআদেশ , নির্দেশ এবং দিক-নির্দেশন সবসময় শিরোধার্য হিসেবে মেনে নেয়। কমিশন ইতোমধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তাদের দায়-দায়িত্ব নিরুপণে জেলা জজপদ মর্যাদর এক জন পরিচালকের নের্তৃত্বে এক সদস্যের একটি টিম গঠন করেছে।দুর্নীতি দমন কমিশন এই প্রতিষ্ঠানের কোনো কর্মকর্তার ব্যক্তিগত দায়-দায়িত্ব কখনও বহন করে না। কমিশনের প্রতিটি কার্যক্রম আইন দ্বারা পরিচালিতহয়।
যেভাবে জাহালামের নাম অন্তর্ভক্তু একাধিক ব্যাংক কর্মকর্তা জাহালমকেই আবু সালেক হিসেবে চিহ্নিত করেন। এছাড়া স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যগণ ছবি দেখেই তাকে সনাক্ত করেন। এছাড়া সোনালীব্যাংক লিঃ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট শাখা, ঢাকার মোঃ আবু ছালেকএর ব্যাংক একাউন্ট নং ০০১০২০৯৭৪ এর ওপেনিং ফরমে প্রথম কনটাক্ট নং ০১৯২৯৩৩৪৭১৬ এবং দ্বিতীয় কনটাক্ট নং ০১৭৪৯৬৮৫০৫১ দেয়া আছে। আবার একই ছবি ব্যাবহার করে ব্রাক ব্যাংক এস.এম.ই শাখায় মেহেরুন ছামাদ ট্রেডার্স প্রোঃ গোলাম মোর্ত্তজার নামীয় একাউন্ট ওপেনিং ফরমে একই মোবাইলনং ০১৭৪৯ ৬৮৫০৫১ দেয়া আছে। কাজেই রেকর্ডপত্রে দেখা যাচ্ছে মোঃ আবু ছালেক এর সোনালী ব্যাংক লিঃ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্টশাখা,ঢাকার একাউন্ট ওপেনিং ফরমের দ্বিতীয় কনটাক্ট নং ০১৭৪৯৬৮৫০৫১ এবং মেহেরুন ছামাদ ট্রেডার্স প্রোঃ গোলাম মোর্ত্তজার একাউন্ট ওপেনিং ফরমের কনটাক্ট নং ০১৭৪৯ ৬৮৫০৫১একই মোবাইল নম্বর। দু ক্ষেত্রে একই ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। এবিষয়ে রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য চেয়ে চেয়ারম্যান, বিটিআরসি বরাবর পত্র প্রেরণ করা হয়। তৎপ্রেক্ষিতে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনায়দেখা যায় ০১৭৪৯ ৬৮৫০৫১ মোবাইল নম্বরটি মোঃ আবু সালেক নামে রেজিস্ট্রেশনকৃত। রেজিস্ট্রেশনকালে সংযুক্ত জাতীয়পরিচয়পত্রে ঘওউ ঘড়. ৯৪১৯ ৪২৫২ ৪৫৮১৫ এবং জন্ম তারিখ ১/৫/১৯৮৩,পিতা: মো: আব্দুল ছালাম, ঠিকানা: গুনিপাড়া, সলিমাবাদ,নাগরপুর, টাঙ্গাইল বলে উল্লেখকরে।