দুর্নীতি বন্ধে দুদকের সাঁড়াশী অভিযান

স্টাফ রিপোর্টার

কক্সবাজার এবং ভালুকায় ১৫ একর পাহাড় ও বনভূমি উদ্ধার বনভূমি দখল এবং পাহাড় ধ্বংস করে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের ঘটনা বন্ধে আজ আকস্মিক অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। কমিশনের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটে গোপন সংবাদ আসে, বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তর এবং দখলদারদের মধ্যে ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে কক্সবাজারের ফাতের ঘোনায় ৫ একর পাহাড় ধ্বংস এবং ময়মনসিংহের ভালুকায় ১০ একর বনভূমি বেদখল হয়েছে। এ অভিযোগ পাওয়ার পরপরই দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরীর নির্দেশে দুটি শক্তিশালী টিম গঠন করে সাঁড়াশী অভিযান শুরু করা হয়।

কক্সবাজারের পাহাড় রক্ষা অভিযানের নেতৃত্ব দেন দুদকের উপপরিচালক লুৎফুল কবীর চন্দন। অভিযানে সহায়তা করে পুলিশ, র‌্যাব এবং স্থানীয় প্রশাসনের একটি সমন্বিত টিম। দুদকের অভিযানে জানা যায়, এ পাহাড়টি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দখলে নেবার পর পর্যায়ক্রমে কয়েক দফা হাত বদল করে লক্ষলক্ষ টাকা ঘুষের বিনিময়ে বিক্রি করা হয়েছে। এতে লাভবান হয়েছে গডফাদাররা। এর মধ্যে ৫ একর পাহাড় সম্পুর্ণ কেটে ফেলে গড়ে তোলা হয়েছে বহু স্থাপনা। আজ বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে এবং পাহাড়ে লাল পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এ অভিযান আগামীকালও অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় জনগণ ও সুশীল সমাজ এ অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে।

অন্যদিকে ময়মনসিংয়ের ভালুকায় বন বিভাগের ১০ একর জমি দখল করেবিশাল সীমানা প্রাচীর তৈরি করে দখল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন স্থানীয় মাফিয়া কর্মকা-ের হোতা শহীদুল ইসলাম শহীদ ওরফে বাউন্ডারি শহীদ। দুদক সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরীর নেতৃত্বে দুদক টিম গতকাল পুরো এলাকা ঘুরে দেখে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় অবৈধ দখল চিহ্নিত করে।

আজ সকাল থেকে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ময়মনসিংহ-এর নেতৃত্বে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সমন্বয়ে ১০ ফুটলম্বা সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয় এবং বন বিভাগের জমি দখলমুক্ত করাহয়। দীর্ঘদিনের এ দখলের ফলে বনবিভাগ কার্যত অসহায় হয়ে পড়েছিল। এদুটি অভিযান সম্পর্কে এনফোর্সমেন্ট অভিযানের প্রধান মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, “পাহাড় ধ্বংস এবং বনভূমি দখলের প্রধান কারণ দুর্নীতি। আর এ দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বনবিভাগ। এতে দুর্নীতিবাজরা শক্তিশালী হচ্ছে, আর প্রতিষ্ঠান নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছে। দুদক এ অচলায়তন ভাঙবে, পাহাড় এবং বন সম্পদ রক্ষার অভিযানের পাশাপাশি দুর্নীতির চক্র উৎপাটন করবে।

দু’জেলার জেলা প্রশাসককে কঠোর নজরদারীর নির্দেশ দেয়া হয়েছেবশ দুর্নীতি বন্ধে দুদকের সাঁড়াশী অভিযান: কক্সবাজার এবং ভালুকায় ১৫ একর পাহাড় ও বনভূমি উদ্ধার বনভূমি দখল এবং পাহাড় ধ্বংস করে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের ঘটনা বন্ধে আজ (২৯/০১/২০১৯ ইং) আকস্মিক অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। কমিশনের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটে গোপন সংবাদ আসে, বন বিভাগ ও পরিবেশ অধিদপ্তর এবং দখলদারদের মধ্যে ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে কক্সবাজারের ফাতেরঘোনায় ৫ একর পাহাড় ধ্বংস এবং ময়মনসিংহের ভালুকায় ১০ একর বনভূমি বেদখল হয়েছে। এ অভিযোগ পাওয়ার পরপরই দুদকের মহাপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরীর নির্দেশে দুটি শক্তিশালী টিম গঠন করে সাঁড়াশী অভিযান শুরু করা হয়।

কক্সবাজারের পাহাড় রক্ষা অভিযানের নেতৃত্ব দেন দুদকের উপপরিচালক লুৎফুল কবীর চন্দন। অভিযানে সহায়তা করে পুলিশ, র‌্যাব এবং স্থানীয় প্রশাসনেরএকটি সমন্বিত টিম। দুদকের অভিযানে জানা যায়, এ পাহাড়টি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট দখলে নেবার পর পর্যায়ক্রমে কয়েকদফা হাত বদল করে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষের বিনিময়ে বিক্রি করা হয়েছে। এতে লাভবান হয়েছে গডফাদাররা। এর মধ্যে ৫ একর পাহাড় সম্পুর্ণ কেটে ফেলে গড়ে তোলা হয়েছে বহু স্থাপনা। আজ বেশ কিছু স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে এবং পাহাড়ে লাল পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এ অভিযান আগামীকালও অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় জনগণ ও সুশীল সমাজ এ অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়েছে।অন্যদিকে ময়মনসিংয়ের ভালুকায় বন বিভাগের ১০ একর জমি দখল করেবিশাল সীমানা প্রাচীর তৈরি করে দখল সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন স্থানীয় মাফিয়া কর্মকান্ডের হোতা শহীদুল ইসলাম শহীদ ওরফে বাউন্ডারি শহীদ। দুদক সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ চৌধুরীর নেতৃত্বে দুদক টিম গতকাল পুরো এলাকা ঘুরে দেখে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় অবৈধ দখল চিহ্নিত করে। আজ সকাল থেকে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়,
ময়মনসিংহ-এর নেতৃত্বে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সমন্বয়ে ১০ ফুটলম্বা সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয় এবং বন বিভাগের জমি দখলমুক্ত করাহয়। দীর্ঘদিনের এ দখলের ফলে বনবিভাগ কার্যত অসহায় হয়ে পড়েছিল।

এ দুটি অভিযান সম্পর্কে এনফোর্সমেন্ট অভিযানের প্রধান মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেন, “পাহাড় ধ্বংস এবং বনভূমি দখলের প্রধান কারণ দুর্নীতি। আর এ দুর্নীতির সাথে সম্পক্ত পরিবেশ অধিদপ্তর এবং বনবিভাগ। এতে দুর্নীতিবাজরা শক্তিশালী হচ্ছে, আর প্রতিষ্ঠান নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছে। দুদক এ অচলায়তন ভাঙবে, পাহাড় এবং বনস¤পদ রক্ষার অভিযানের পাশাপাশি দুর্নীতির চক্র উৎপাটন করবে। দু’জেলার জেলা প্রশাসককে কঠোর নজরদারীর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।